ব্রেকিং
জানুয়ারি ১০, ২০২৬

ডিসেম্বর ২০২৫

পাবলিক প্লেসে ধূমপানে জরিমানা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা, জারি হলো নতুন অধ্যাদেশ

জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত ও তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতি ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে প্রকাশিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জরিমানা পূর্বের ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০০৫ সালের মূল আইনে ব্যাপক পরিবর্তন এনে সংশোধিত অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেসের সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। এখন থেকে সরকারি দপ্তর ও হাসপাতালের পাশাপাশি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রেস্তোরাঁ, হোটেল, শপিংমল, পার্ক, মেলা, পরিবহন টার্মিনালসহ ভবনের প্রবেশপথ, বারান্দা ও আশপাশের খোলা স্থানেও ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে।

নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—পাবলিক প্লেসে ‘স্মোকিং জোন’ ব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিলুপ্তি। ফলে কোনো গণপরিসরেই ধূমপানের জন্য আলাদা স্থান রাখার সুযোগ থাকছে না।

এছাড়া তামাকজাত পণ্যের মোড়কীকরণেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে সব তামাক পণ্যে ‘স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার বর্তমানের ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষকে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা এবং তামাকজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতেই এই কঠোর ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

বার্ষিক আয়ের দিক থেকে বড় বড় রাজনৈতিক নেতাদের ছাড়িয়ে গেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। পেশায় ব্যবসায়ী নুর, বার্ষিক আয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮ টাকা। যা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয়ের চেয়েও বেশি।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) নুরুল হক নুরের নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, নুরুল হক নুরের ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৬ টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২২ টাকা। অন্যদিকে, তারেক রহমানের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা, ডা. শফিকুর রহমানের বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। বার্ষিক আয়ের দৌড়ে নুর সবার ওপরে থাকলেও মোট সম্পদের হিসাবে এগিয়ে রয়েছেন তারেক রহমান (১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা) এবং ডা. শফিকুর রহমান (এক কোটি ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৪০ টাকা)। নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ৯০ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪১ টাকা।

সম্পদের বিবরণীতে দেখা যায়, নুরের কাছে নগদ ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ২১৭ টাকা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৩১৩ টাকা জমা রয়েছে। তার কোম্পানি শেয়ারে বিনিয়োগ আছে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত অন্যান্য আমানত রয়েছে ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ৩১১ টাকা। এছাড়া নুরের ৮২ ডেসিমেল এবং তার স্ত্রী মারিয়া আক্তারের নামে ৩ একর কৃষিজমি রয়েছে। দায় হিসেবে নুরের ৩ লাখ ৮৮ হাজার ১৬০ টাকা দেনা থাকলেও কোনো ব্যাংক ঋণ নেই। নুরের স্ত্রী মারিয়া আক্তার পেশায় একজন শিক্ষিকা, যার বার্ষিক আয় ১ লাখ ৯১ হাজার ৮৮০ টাকা এবং মোট সম্পদ ১২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা।

পারিবারিক তথ্যে জানা যায়, নুরুল হক নুর তিন সন্তানের জনক এবং তার ওপর নির্ভরশীল হিসেবে বাবা-মা ও ভাই-বোন রয়েছেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে ৬টি মামলা চলমান থাকলেও এর আগে ৮টি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন থেকে ‘ট্রাক’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন নুর। জোটগত সমঝোতার কারণে এখানে বিএনপি কোনো প্রার্থী না দিলেও সাবেক বিএনপি নেতা হাসান মামুন স্বতন্ত্র হিসেবে এবং গণঅধিকার পরিষদের শহিদুল ইসলাম ফাহিমও এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।


রাজবাড়ীর কালুখালীতে সিমেন্টবোঝাই একটি ট্রাকের এক্সেল ভেঙে যাত্রীবাহী নসিমনকে ধাক্কা দিলে আলমাস আলী (৩৫) নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আরও আটজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে রাজবাড়ী–কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আনোয়ার সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকটি রাজবাড়ী থেকে পাংশার দিকে যাচ্ছিল। পথে ট্রাকটির এক্সেল ভেঙে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা নসিমনকে ধাক্কা দিলে নসিমনের যাত্রী আলমাস আলী ট্রাকচাপায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। পরে হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রায় চার ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সিমেন্ট সরিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত আলমাস আলী গোয়ালন্দ উপজেলার ছব্দুল খা পাড়ার বাসিন্দা।
দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন—রিয়াদ (১৩), আকলিমা (১৭), লিজা বেগম (৩০), ইয়াসমিন (১১), সিয়াম (১২), কমেলা বেগম (৪৬), আক্কাস (৩৫) এবং জামিরুল (৪৫)। তাদের রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নসিমনচালক মুকুল জানান, তারা নাটোর থেকে আলমাস আলীর পরিবার নিয়ে গোয়ালন্দে আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে সাইনবোর্ড এলাকায় ট্রাকটির এক্সেল ভেঙে গিয়ে তাদের নসিমনকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পাংশা হাইওয়ে থানার ওসি মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন, “ট্রাকের এক্সেল ভেঙে নসিমনের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

                                                                           ছবি : সংগৃহীত

আতশবাজির আলো, উচ্চ শব্দের গান আর রাতজুড়ে উচ্ছ্বাসে যখন শহরগুলো নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, তখন প্রশ্ন ওঠে—একজন মুমিন এই রাত কীভাবে কাটাবেন? সময়ের স্রোতে ভেসে গিয়ে অনুকরণ আর উন্মাদনায় মেতে ওঠা, নাকি আত্মসংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলা?

ইংরেজি নববর্ষকে ঘিরে বাংলাদেশেও ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উদযাপনের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে এই রাত বিনোদনের নয়; বরং আত্মসমালোচনা, তওবা ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই বছরের সূচনালগ্নেই পুরো বছরের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা একজন সচেতন মানুষ এবং একজন মুমিনের ঈমানি দায়িত্ব।

ফুক্বাহায়ে কেরাম বলছেন, মুসলিমের জন্য ইংরেজি নববর্ষ পালন কোনো কল্যাণকর বিষয় নয়। বিশেষ করে খ্রিষ্টানদের অনুকরণে গড়ে ওঠা নতুন বছর বরণের পদ্ধতি মুসলমানদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির অংশ নয়; বরং তা স্পষ্ট অপসংস্কৃতি। ইংরেজি বছরের শুরুতে ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ পালন করাকে ইসলাম সমর্থন করে না। এ রাতে বর্ষবরণের নামে যেসব অনৈতিক ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে তরুণ সমাজ জড়িয়ে পড়ে, তা ইসলামের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ এবং শরিয়তের সীমা লঙ্ঘন।

এ ধরনের বিশৃঙ্খল সংস্কৃতি থেকে বিরত থাকতে কোরআন ও হাদিসে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের অনুসরণ করবে, কখনো তার সেই আমল গ্রহণ করা হবে না। আর পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ (সুরা আলে ইমরান : ৮৫)

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি অন্য জাতির আচার-আচরণ ও কৃষ্টি-কালচার অনুসরণ করবে, সে তাদেরই দলভুক্ত বিবেচিত হবে।’(সুনানে আবু দাউদ : ২৭৩২)

কোরআনের অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘প্রত্যেক জাতির জন্য আমি একটি নির্দিষ্ট বিধান ও সুস্পষ্ট পথ নির্ধারণ করেছি।’(সুরা মায়িদা : ৪৮)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, ‘যদি তুমি খারাপ কাজ করে খারাপ মনে করো এবং ভালো কাজ করে ভালো লাগে—তাহলে তুমি মুমিন। কিন্তু যদি খারাপ কাজ করে ভালো লাগে আর ভালো কাজ করে খারাপ লাগে—তাহলে তুমি মুমিন হতে পার না।’ (সহিহ মুসলিম : ১৯২৭)

তাহলে নতুন বছরের প্রথম রাত কীভাবে কাটাবেন?

একজন ইমানদারের জন্য প্রতিটি দিন ও রাতই মূল্যবান। তাই বছরের প্রথম রাত উত্তাল উদযাপন বা গুনাহে কাটানো নয়; বরং কোরআন ও হাদিসের নির্দেশিত পথে কাটানোই একজন মুমিনের জন্য উত্তম।

এ রাতে একজন মুসলিম যেভাবে সময় কাটাতে পারেন—

বিগত বছরের গোনাহের জন্য আল্লাহর কাছে আন্তরিক তওবা করা, আত্মসমালোচনার মাধ্যমে আগামী বছরের কল্যাণ কামনা করা।

সিজদাবনত হয়ে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা—তওবা, ইস্তেগফার, দোয়া-দরুদ, নফল নামাজসহ নেক আমলে নিজেকে নিয়োজিত রাখা।

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা এবং নতুন বছরকে দ্বীনি ও নৈতিকভাবে সুন্দর করার প্রতিজ্ঞা করা।

লেখক : সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ

মুহতামিম, জামিয়াতুল কোরআন, ঢাকা

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে শোকের ছায়া। শোকে বিভোর বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও। সংগীতশিল্পী ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়ার মতো নেত্রীর শূন্যতা বাংলাদেশের মানুষ সব সময় অনুভব করবে।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে বেবী নাজনীনের শোক প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

বেগম জিয়াকে নিয়ে শোক প্রকাশ করে বেবী নাজনীন জানালেন, ‘উনার সঙ্গে আমার শেষ কথা হয়েছিল উনি জেলের যাওয়ার আগে। আমি সেই মুহূর্তে বেগম জিয়ার সঙ্গে ছিলাম। আমার মাথায় হাত রেখে বলেছিলেন, আমি যাচ্ছি তুমি ভালো থেকো।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও জানান, ‘তিনি বলেছিলেন তোমরা দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও। তার মধ্যে দেখেছিলাম ধীর-স্থিরতা কিন্তু বলিষ্ঠ। উনি হাঁটতে হাঁটতে জেলে চলে গেলেন। এই দৃশ্য আমি কখনও ভুলবো না।

এছাড়া খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত বেবী নাজনীন লিখিত বার্তায় জানিয়েছেন, ‘শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে যে কষ্ট দেওয়া হয়েছে, তার প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে, এর বিচার মহান আল্লাহ অবশ্যই করবেন। তিনি দেশ এবং মানুষের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করছেন, রাজনীতির ইতিহাসে সেটা নজিরবিহীন। তার মৃত্যুর খবরে আজ বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে মানুষ, বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে সারা দেশ। মহান আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করবেন ইনশাআল্লাহ।

বেবী নাজনীন লিখেছেন, ‘মহান আল্লাহ জিয়া পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দান করুন, এই মুহূর্তে আমি এই দোয়াই করি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে লিভার ও কিডনি জটিলতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, আথ্রাইটিস ও বিভিন্ন সংক্রমণজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জানাজাস্থলে নেওয়া হচ্ছে খালেদা জিয়ার মরদেহছবি: প্রথম আলো

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে গুলশান থেকে জানাজার জন্য মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আজ বুধবার বেলা ১১টা ০৪ মিনিটে খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িবহর তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে বের হয়েছে।

গাড়িবহরে লাল সবুজ রঙের বাসটিও রয়েছে। তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা জানাজাস্থলে যাচ্ছেন।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলের দিকে গাড়িবহর
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলের দিকে গাড়িবহরছবি: প্রথম আলো

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার স্বজনেরাও গাড়িবহরে রয়েছেন।

জানাজার জন্য খালেদা জিয়ার মরদেহ নেওয়া হচ্ছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে। জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে তাঁর স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে।

১০: ৫৭

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে দলে দলে আসছে মানুষ

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে দলে দলে যাচ্ছেন মানুষ
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে দলে দলে যাচ্ছেন মানুষছবি: বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের মাঠ এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে।

আজ বুধবার বেলা দুইটার দিকে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে সকাল থেকেই দলে দলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জড়ো হতে শুরু করেছেন বিএনপির নেতা কর্মী এবং সাধারণ মানুষেরা।

সরেজমিনে সকাল সাড়ে দশটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের মাঠ, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের মূল সড়ক, ফার্মগেটের খামারবাড়ি এলাকার মোড়সহ ওই এলাকায় মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

খালেদা জিয়ার মরদেহ পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে এভারকেয়ার থেকে গুলশানে

গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় ঢৃুকছে খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী গাড়ি। এখানে রয়েছেন তারেক রহমান। আজ বুধবার সকালেছবি: প্রথম আলো

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ আজ বুধবার সকাল ৯টা ১৭ মিনিটের দিকে বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

খালেদা জিয়ার মরদেহ তাঁর দীর্ঘদিনের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় নেওয়ার কথা ছিল। তবে গাড়িটি তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে নেতা কর্মী ও স্বজনেরা তাঁকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাবেন।

সকালে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গুলশান থেকে খালেদা জিয়াকে জানাজার জন্য নেওয়া হবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে। জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে তাঁর স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে।

পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে খালেদা জিয়ার মরদেহ নেওয়া হচ্ছে
পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে খালেদা জিয়ার মরদেহ নেওয়া হচ্ছেছবি: খালেদ সরকার

এভারকেয়ার এবং তার আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এএসএফ), প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে রয়েছেন। কাঁটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে হাসপাতালের প্রধান ফটক।

সরেজমিনে এভারকেয়ার হাসপাতালে প্রবেশের মূল ফটকের কয়েক গজ দূর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা গেছে। হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজন ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। পরিচয় এবং হাসপাতালে আসার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

০৯: ৪১

খালেদা জিয়ার প্রতি শেষশ্রদ্ধা জানাতে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায়, আরও যাঁরা আসছেন

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা ঢাকায়
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা ঢাকায়ছবি: ঢাকায় নেপালের দূতাবাস

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি শেষশ্রদ্ধা জানাতে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা ঢাকায় এসেছেন।

গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাতের কিছু আগে বালা নন্দা শর্মা ঢাকায় আসেন। তাঁকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (আন্তঃসরকারি ও কনস্যুলার বিষয়ক) এম ফরহাদ হোসেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে, তাঁর প্রতি শেষশ্রদ্ধা জানাতে আজ ঢাকায় আসবেন পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক।

এ ছাড়া ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি এন ধুংগিয়েল, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ও দেশটির উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী আলী হায়দার আহমেদ, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিতা হেরাথের আজ ঢাকায় আসার কথা।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে বিএনপির ৯ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দলটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতারা হলেন—
জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন ও আব্দুল খালেক। এছাড়া কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এসব নেতাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সংগঠনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি করা হত্যা মামলায় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিমকে তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া হাদি হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রসহ নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার ফয়সালেরও তিন দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তার পৃথক দুই আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রিমান্ডের আদেশ দেন।

এর আগে, গত ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের দুজনকে আটকের কথা জানায় বিজিবি। জিজ্ঞাসাবাদের পর এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১৮ ডিসেম্বর তাদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড দেন। এর আগে ২১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৬ ডিসেম্বর দুই দফা রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ১৬ ডিসেম্বর র‍্যাব-১১ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদী জেলার সদর থানাধীন তরুয়া এলাকার মোল্লার বাড়ির সামনে তরুয়ার বিলে অভিযান চালিয়ে ফয়সালকে আটক করে। অভিযানের সময় বিলের পানিতে ফেলে দেওয়া হাদি হত্যায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
মঙ্গলবার ফয়সালকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মতিঝিল আঞ্চলিক টিমের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ।

আবেদনে বলা হয়, এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। মামলার এজাহারনামীয় ও পলাতক আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়ার তথ্য অনুযায়ী আসামি ফয়সালের দেখানো মতে নরসিংদী সদরের তরোয়া বিল থেকে গত ১৬ ডিসেম্বর রাত ১১টার দিকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করে। নরসিংদী সদর মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ফয়সালের দেখানো মতে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি পল্টনে চাঞ্চল্যকর ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে।

অস্ত্রের উৎস ও সরবরাহকারী সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ, হত্যার মোটিভ উদ্ধার, ইন্ধনদাতাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এদিকে সীমান্তে পারাপারকারী চক্রের হোতা জনৈক ফিলিপ নামক ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত, গ্রেপ্তার, ফিলিপ ব্যতীত আর কারো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, ফিলিপের সাথে কিলিং মিশনের কে বা কারা যোগাযোগ করেছে তা জানার জন্য, কিলিং মিশনের ইন্ধনদাতা এবং অর্থদাতাদের শনাক্ত করার জন্য সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিমকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তবে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। পরে আদালত থেকে তাদের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ আসে।

গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলাটি দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটিতে ৩০২ ধারা যুক্ত হয়েছে। মামলার পর ১২ আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তারা হলেন- ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা ও শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহযোগিতাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, আমিনুল ইসলাম রাজু ও ফয়সাল।এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর শরিফ ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা গুলি করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। তিন দিন পর, ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।